রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০১০

চিঠি-১

বন্ধু,
হ্যাঁ আমিও বা তোমাকে কিভাবে বোঝাব যে, এই দীর্ঘ একটা মাস আমার কিভাবে কেটেছে। এক একটা দিন যেন মনে হয়েছে এক একটা বছর। প্রতিটি ক্ষনে প্রতিটি মুহূর্তে মনে পড়েছে শুধু তোমার কথা। সুযোগ পেলেই তোমার চিঠিগুলো বের করে পড়ে মনকে সান্তনা দিয়েছি। আর বিশ্বাস করবে কিনা জানিনা, প্রতিদিন একবার করে হলেও পিকনিকের ছবিগুলো বের করে দেখেছি।

জানো, যখনই কোন মোবাইলে রিং শুনেছি, তখনই ভেবেছি সেদিনের কথা ভুলে বুঝি তুমিই রিং করেছ। এইবুঝি মিজান ছুটে এসে বলবে তুমি রিং করেছ। কিন্তু না।


হ্যাঁ চিঠি আমি অবশ্যই পাঠাতে পারতাম। কিন্তু তুমি কি ভেবেছ আমি সেই চেষ্টা করিনি? তাছাড়া তুমিতো জানো আমার অসুবিধার কথা। আচ্ছা না হয় বুঝলাম সব দোষ আমার, কিন্তু তুমিও তো বলেছিলে শাহানার ঠিকানায় চিঠি দিবে। কিন্তু তা কোথায়? তুমি হয়তো জানোনা আমি কি পরিমান আশায় ছিলাম যে তুমি অবশ্যই শাহানার ঠিকানায় চিঠি দিবে।


তুমি হয়তো তোমার কষ্টগুলো শাওনের সাথে share করেছ কিন্তু একবার চিন্তা করো আমার কথা, আমার দিনগুলো কিভাবে কেটেছে। কার সাথে share করবো আমার কষ্টগুলো। এদিকে শাহানা ছিলোনা বাড়ি, ভাবো একবার।


কি রাগ, আব্বুকে বলবো পাত্র খুঁজতে তাই না? ঠিক আছে এত যখন রাগ দরকার হলে তাই করবো। ভালো থেকো। এই প্রত্যাশায় এবার বিদায়-


বুঝে নাও

কে?

1 টি মন্তব্য: